Monday, February 25, 2013

দ্বিতীয় বছরে আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ২৪

প্রযুক্তির সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে – এই মন্ত্র নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ২৪। দেখতে দেখতে পূর্ণ হলো একটি বছর সেই যাত্রার। প্রথম বছর পূর্তির শুভলগ্নে আমাদের প্রিয় পাঠক, লেখক, এবং পত্রিকাসংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। সবার অকুণ্ঠ সহযোগিতায় মসৃণ হয়েছে আমাদের পথচলা। সবার ভালোবাসায় আমরা সমৃদ্ধ হয়েছি। নিশ্চয় আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ২৪ এর প্রতি এই সহযোগিতা এবং ভালোবাসা অক্ষুন্ন থাকবে সবার, আমাদের এগিয়ে চলার পথ আরো মসৃণ হবে।
পথচলার শুরু থেকেই আমরা চেষ্টা করেছি তথ্য-প্রযুক্তির সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে উপস্থাপন করতে।
 http://www.ictworldnews24.com/দ্বিতীয়-বছরে-আইসিটি-ওয়/ ‎
বর্তমানে আমাদের দেশে অনলাইন একটি পত্রিকা জনপ্রিয় করা কতোটা কঠিন তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। কারণ আমাদের দেশে অনলাইন পাঠক খুবই সামান্য। অনলাইন পত্রিকায় প্রতিঘন্টাই পাঠকের প্রত্যাশা পূরণে ভূমিকা রাখতে হয়; দিতে হয় পরীক্ষা।
আমরা চাই দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ। হাজার রকমের জনদুর্ভোগ থেকে আমরা মুক্তি চাই। আমরা চাই আইনের প্রকৃত শাসন, সুশৃঙ্খল বাংলাদেশ। বাংলাদেশে যেন আর কখনো হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা, গুম- অপহরণ আতঙ্কে যেন না ভুগতে হয় কাউকে। মুক্তিপণ দিয়ে যেন সন্তানকে ফিরিয়ে আনতে না হয় কোনো পিতাকে। চাপাতির কোপে আর যেন প্রাণ দিতে না হয় নিরীহ কাউকে। গার্মেন্ট ফ্যাক্টরির আগুনে যেন আর একটিও প্রাণ কখনো না যায়, ফ্লাইওভারের গার্ডার যেন আর ভেঙে না পড়ে। আমরা নারী নির্যাতনমুক্ত বাংলাদেশ চাই। খাদ্যের বিষক্রিয়ায় ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগোতে চাই না। আমরা যানজটমুক্ত রাজধানী চাই, সড়ক দুর্ঘটনামুক্ত দেশ চাই। মানুষের কল্যাণই দেশের কল্যাণ।
বাংলাদেশ অতি সম্ভাবনার একটি দেশ। স্বাধীনতার পর থেকে হাজারো সমস্যায় জর্জরিত থাকার পরও দেশ এগিয়েছে অনেক। কৃষি এবং শিল্পক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে, শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে, জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে, উন্নতি হয়েছে যোগাযোগক্ষেত্রে। পোশাকক্ষেত্রে উন্নতি, টেলিযোগাযোগক্ষেত্রে উন্নতি, সাধারণ মানুষের জীবনের মানে উন্নতি, এ রকম বহু অর্জন আমাদের। এই সব দিক বিবেচনা করলে বাংলাদেশ এখন আর পিছিয়ে পড়া দেশ নয়।
আর এ জন্য প্রয়োজন তথ্য-প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার। সব মাধ্যমে আনতে হবে অত্যাধুনিক সব প্রযুক্তির ব্যবহার।
প্রযুক্তির সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে এস্লোগান ধারণ করে ২০১২ সালের ২৬ ফেব্র“য়ারি অনেকটা অনাড়ম্বরেই অনলাইনে আসে আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ২৪। অনলাইনে আসে মাত্র তিন মাসের মধ্যেই পত্রিকাটির পাঠক সংখ্যা হাজার হাজার ছাড়িয়ে যায়, যা বাংলাদেশের অনলাইন জগতে বিরল ঘটনা। যাত্রার পর থেকেই পত্রিকাটির জনপ্রিয়তা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে। এটি এখন দেশের বিদেশে ব্যাপক আলোচিত ও জনপ্রিয় অনলাইন পত্রিকা ।
দেশকে বিশ্ব দরবারে সমৃদ্ধশালী ধেশ হিসাবে উপস্থাপন করতে হলে প্রযুক্তির কোন বিকল্প নাই, এটা গভীরভাবে উপলব্ধি করেই পথ চলছি আমরা। পাঠকসহ সংশি¬ষ্ট সবাইকে আরও নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত করে আরও বলিষ্ঠতার সঙ্গে এগিয়ে যাবে আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ২৪ এর দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এটাই আমাদের অঙ্গীকার।

Friday, February 15, 2013

পাঁচ বছরের জন্য মহাকাশে নাসার নতুন স্যাটেলাইট


আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ :

মহাকাশ থেকে ভূপ্রকৃতি, সমুদ্রতীরবর্তী অঞ্চল ও প্রবালপ্রাচীরের ছবি তোলার উপযোগী করে নতুন স্যাটেলাইটটি পাঠানো হয়েছে। নাসার ব্যবস্থাপক চার্লস বল্ডেন বলেন, ল্যান্ডস্যাট এইট পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠিয়ে নগর পরিকল্পনাসহ অন্যান্য গবেষণায় সহায়তা করবে।মহাকাশে নতুন একটি কৃত্রিম উপগ্রহ (স্যাটেলাইট) পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (নাসা) জানায়, ল্যান্ডস্যাট ডেটা কনটিনিউটি মিশন (ল্যান্ডস্যাট এইট) নামের ওই স্যাটেলাইট ক্যালিফোর্নিয়ার ভ্যান্ডেনবার্গ বিমানঘাঁটি থেকে গত সোমবার যাত্রা করে।
একটি অ্যাটলাস রকেটে সংযুক্ত করে ল্যান্ডস্যাট এইট উৎক্ষেপণ করা হয়। ওই রকেট থেকে এক ঘণ্টা ২০ মিনিট পর স্যাটেলাইটটি বিচ্ছিন্ন হয়। এটি কক্ষপথের ৭০৫ কিলোমিটার ওপরে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে দুই মাস সময় নেবে। এটি পৃথিবীকে প্রতিদিন ১৪ বার প্রদক্ষিণ করবে। ধারণা করা হচ্ছে, ল্যান্ডসেট এইটের পাঠানো তথ্য আগামী ১০০ দিনের মধ্যেই সরবরাহ করা সম্ভব হবে। স্যাটেলাইটটি কমপক্ষে পাঁচ বছর মহাকাশে অবস্থান করবে।
১৯৭২ সাল থেকে স্যাটেলাইটের ব্যবহার শুরু হয়। এএফপি।

শাহবাগে বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মানুষ মোমের আলো জ্বালিয়ে সংহতি জানালো


আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ :

হুমায়ূন কবীর 
শাহবাগে বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মানুষ মোমের আলো জ্বালিয়ে সংহতি জানালো। শাহবাগের আন্দোলনের দশম দিন আজ। আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। এবারের আগুনঝরা ফাগুনের এ ভালোবাসা সবাই ঢেলে দিচ্ছেন জাতির জন্য, গোটা দেশের জন্য। সে ভালোবাসার টানে আজও সকাল থেকে প্রজন্ম চত্বরের দিকে দুর্বার বেগে ছুটে চলেছে জনস্রোত। প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মানুষ হাতে হাতে মোমের আলো জ্বালিয়ে সংহতি জানানো হলো শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে। এতে যোগ দেয় সারা দেশের কোটি জনতা।
 বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটায় একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরসহ সারা দেশে মোমবাতি জ্বালানো হয়। দেশের প্রতিটি প্রান্তের মানুষ যে যেখানে ছিলেন, সেখান থেকে একটি করে মোমবাতি জ্বেলে শাহবাগের আন্দোলনের প্রতি তাঁদের একাত্মতা জানিয়েছেন।
রাজধানীর সব এলাকাসহ সারা দেশে রাস্তায় সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদী জনতা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। এ সময় গগনবিদারী স্লোগানে মুখরিত হয় পুরো দেশ। আগামীকাল শুক্রবার বেলা ৩টায় শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে আবারো মহাসমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বসন্ত এবার শাহবাগে এসেছে অগ্নিঝরা স্লোগান হয়ে, যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবি নিয়ে

আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ :

বসন্ত এবার শাহবাগে এসেছে অগ্নিঝরা স্লোগান হয়ে, যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবি নিয়ে। সকালে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যারা শাহবাগ ও চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় বসন্ত বরণে জড়ো হয়েছেন, তাদের গায়ে বাসন্তি, গেরুয়া, লাল, কমলার সঙ্গে প্রতিবাদের কালোও আছে, কপালে আছে ‘রাজাকারে ফাঁসি চাই’ লেখা ব্যান্ডানা, আছে জাতীয় পতাকাও।

http://www.ictworldnews24.com/বসন্ত-এবার-শাহবাগে-এসেছে/

সকাল সাড়ে ৭টায় বকুল তলায় যন্ত্রসংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বসন্ত আবাহন। জাতীয় বসন্ত উৎসব উদযাপন পরিষদের অনুষ্ঠানসূচিতে ছিল জাগরণী গান।সকাল থেকে বাসন্তী রঙের শাড়ি পরা নারীরা দলে দলে আন্দোলনে যোগ দিচ্ছেন। ছেলেদের পরনেও দেখা গেছে বিভিন্ন রঙের পাঞ্জাবি। আন্দোলন আজ বাসন্তী রংকে ঘিরে বর্ণিল হয়ে উঠেছে।
বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন বসন্ত উৎসবের শোভাযাত্রা নিয়ে শাহবাগে এসে মিশেছে ও একাত্মতা ঘোষণা করেছে।
শাহবাগে আজ প্রথম শোভাযাত্রা আসে বিশ্ব কলাকেন্দ্র থেকে। এরপর ঢাকা ওয়েস্টার্ন কলেজের একটি শোভাযাত্রা আসে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে জনসমাগম।
ঢাকা ওয়েস্টার্ন কলেজের এক শিক্ষার্থী জানান, প্রতিবছর নিজেদের মতো করে বসন্ত উৎসব উদযাপন করা হয়। এবার রাজাকারদের ফাঁসির দাবির মধ্য দিয়ে সেই আনন্দ ও উৎসব সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হবে। বসন্তের রক্তিম পলাশ, পাখির কলকাকলিতেও প্রতিবাদ লুকিয়ে আছে।
আন্দোলনকারীরা বলছেন, ১৯৫২ সালের ফাল্গুনে ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সূতিকাগার তৈরি হয়েছিল। এবারের আন্দোলনেও ফাল্গুনের ছোঁয়া লেগেছে। তাই আন্দোলনে বিজয় নিশ্চিত।

শাহবাগ থেকে দেশব্যাপী তিন মিনিট দাঁড়িয়ে সমগ্র জাতির সংহতি প্রকাশ


আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ :


কাদের মোল্লাসহ সব মানবতাবিরোধী অপরাধীর ফাঁসির দাবিতে আজ মঙ্গলবার তিন মিনিটের জন্য স্তব্ধ হয়ে পড়ে সারা দেশ। শাহবাগের আন্দোলনকারীদের ডাকে একাত্মতা পোষণ করে সর্বস্তরের মানুষ বিকেল চারটা থেকে চারটা তিন মিনিট পর্যন্ত যে যাঁর অবস্থানে থেকে দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেন।
প্রজন্ম চত্বরের কাউন্ট ডাউনের মাধ্যমে ঠিক ৪টায় সমগ্র জাতি দাঁড়িয়ে যান। অভূতপূর্ব সাড়া দিয়ে শাহবাগের আন্দোলনকারীদের ডাকে তিন মিনিটের স্তব্ধতা কর্মসূচি পালন করেছে সারাদেশ। গতকাল সোমবার শাহবাগের নবজাগরণ মঞ্চ থেকে ব্লগার ইমরান এইচ সরকার এ কর্মসূচি পালনের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশের সব বয়সের, সব শ্রেণী-পেশার মানুষ যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে তিন মিনিট নীরবতা পালন করেন।আজ মঙ্গলবার বিকাল ঠিক ৪টায় এই কর্মসূচি শুরু হয়, তা চলে ৪টা তিন পর্যন্ত। আন্দোলনের কেন্দ্র শাহবাগে এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে লাখো মানুষ।
শুধু শাহবাগ নয়,রূপসী বাংলার হোটেলের সামনে থেকে শুরু করে শাহবাগ, টিএসসির চত্বর ও এর আশেপাশের সব এলাকায় হাজার হাজার মানুষ দাঁড়িয়ে পড়েন তিন মিনিটের জন্য।যারা রাস্তায় ছিলেন, তারা সেখানেই পথ চলা থামিয়ে দাঁড়িয়ে যান। আর এভাবে তিন মিনিটের জন্য স্তদ্ধ হয়ে যায় পুরো দেশ। তিন মিনিটের জন্য জেগে ওঠে দেশের কোটি কোটি মানুষ।
সময় যত গড়াচ্ছে, শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে লোকসমাগম তত বাড়ছে। চলছে প্রতিবাদী তারুণ্যের প্রতিবাদ। সকাল থেকেই নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে গিয়ে আন্দোলনকারীদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছেন। যোগ দিচ্ছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী।

Monday, February 11, 2013

শাহবাগ থেকে দেশব্যাপী ৩ মিনিট নীরবতা পালনের আহ্বান


আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :

যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে রাজধানীর শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে চলমান আন্দোলনে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন ব্লগার অ্যান্ড অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইমরান এইচ সরকার।নতুন কর্মসূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেল ৪টা থেকে ৪টা ৩ মিনিট পর্যন্ত সারাদেশের প্রতিটি মানুষকে কর্মবিরতি পালন করার আহ্বান করা হয়।আন্দোলন মঞ্চ থেকে আহ্বান করা হয়, যে যেখানে থাকবেন সেখানেই এ কর্মসূচির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করবেন। সেই সাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, আইন আদালতের সবাই এ ৩ মিনিট কর্মবিরতি পালন করবেন।
http://www.ictworldnews24.com/শাহবাগ-থেকে-দেশব্যাপী-৩-ম/
উপস্থিত সুধীকে সাবধান করে দিয়ে ইমরান এইচ সরকার বলেন, “আমাদের এ আন্দোলনকে বিভ্রান্ত করতে কিছু অনলাইন অ্যাকটিভিটিস্ট ও ব্লগার পত্রিকা বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করছে আমরা এ তীব্র নিন্দা জানাই। আমরা ঐ সকল বিভ্রান্তি প্রচারকারীকে সাবধান করছি। আপনারা অপপ্রচার বন্ধ করুন। না হলে আমরা আপনাদের অবাঞ্চিত করতে বাধ্য হব। আমাদের আন্দোলন আজ শুধু শাহবাগ নয়, দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছে।”
আন্দোলন সম্পর্কে তিনি আরো বলেন, “আমাদের আন্দোলন যেভাবে চলছে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সেভাবেই চলবে।”

সব যুদ্ধাপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড সহ ছয় দফা দাবিতে জাতীয় সংসদের স্পিকারকে স্মারকলিপি


আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :

যুদ্ধাপরাধী কাদের মোলাসহ সকল যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির দাবি জানিয়ে স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে ব্লগার এন্ড অনলাইন এক্টিভিস্ট নেটওয়ার্ক। স্মারকলিপিতে সকল যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি নিশ্চিত ও স্বাধীনতা বিরোধী জামাত-শিবিরের রাজনীতি নিষদ্ধি করতে প্রয়োজনে আইন সংশোধনের উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
http://www.ictworldnews24.com/সব-যুদ্ধাপরাধীর-সর্বোচ্চ/
আব্দুল কাদের মোল্লাসহ সব যুদ্ধাপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ করাসহ ছয় দফা দাবিতে জাতীয় সংসদের স্পিকারকে স্মারকলিপি দিয়েছেন শাহবাগের আন্দোলনকারীরা।
আন্দোলনকারীদের পক্ষে ইমরান এইচ সরকারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে গিয়ে আবদুল হামিদের কাছে এ স্মারকলিপি দেন।
স্পিকারের একান্ত সচিব জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের জানান, বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের পক্ষ থেকে পাঁচজন ব্লগারের একটি প্রতিনিধি দল স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি দেন। তিন পৃষ্ঠার সাদা কাগজে আন্দলনকারীদের পক্ষে স্বাক্ষর করেন চিকিৎসক ইমরান এইচ সরকার।
অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধনের পাশাপাশি এই ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার বিধান রহিত, গৃহযুদ্ধের হুমকিদাতাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার, যেসব রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার চেষ্টা করছে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচার করা, ১৯৭৫ সালে পর সাজাপ্রাপ্ত ও বিচারাধীন যুদ্ধাপরাধী রাজাকার আলবদরকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে ট্রাইব্যুনালের বিচারের আওতায় আনা, যুদ্ধাপরাধীদের প্রতিষ্ঠান (ইসলামী ব্যাংক, ইবনে সিনা, ফোকাস, রেটিনা) বন্ধ, জামায়াত-শিবিরের আয়ের উৎস বন্ধ ও তাদের গণমাধ্যম-ব্লগ নিষিদ্ধ করা।
আন্দোলনকারীদের দাবিনামা সংসদ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের কাছে পাঠানো হবে বলে স্পিকার গণমাধ্যম কর্মীদের জানিয়েছেন।