Wednesday, January 30, 2013

চলতি বছর হবে স্মার্টফোন আর ট্যাবলেট কম্পিউটারের বছর


আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :

এ বছর ১৭ থেকে ১৮ কোটি ট্যাবলেট বিক্রি হবে। প্রযুক্তিবিদেরা বলেছেন, চলতি বছর হবে স্মার্টফোন আর ট্যাবলেট কম্পিউটারের বছর। নকশা নিয়ে তাই নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আছে দারুণ সব পরিকল্পনা। বর্তমানে ট্যাবের বাজারে ৭ ইঞ্চি পর্দার চাহিদা সবচেয়ে বেশি। তাই নির্মাতারা এ ধরনের ট্যাব বেশি তৈরি করছেন। গত বছর ১৩ কোটি ট্যাব বিক্রি হয়েছে। চলতি বছর ৯ থেকে ১১ ইঞ্চি ট্যাবের অর্ডারও জমা পড়েছে বেশ। এখন চলছে সেসব তৈরির প্রস্তুতি। অন্যদিকে অ্যান্ড্রয়েডভিত্তিক ৭ ইঞ্চি পর্দার ট্যাবলেটের চাহিদাও বেড়েছে ব্যাপক হারে। এ বছর আইপ্যাড মিনিরও নতুন বাজার তৈরি হবে বলে প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন।
http://www.ictworldnews24.com/চলতি-বছর-হবে-স্মার্টফোন-আ/
গত বছর ৯ ইঞ্চি পর্দার দখলে ছিল ৩৫ শতাংশ বাজার। সংখ্যায় তা ছিল সাত কোটি ৩০ লাখ। এ আকারের ট্যাবের বাজার-চাহিদা ছিল ৫৯ শতাংশ। অন্যদিকে ৭ ইঞ্চি পর্দার ট্যাবের বাজার-চাহিদা দ্বিগুণ বেড়ে তা ৩২ ভাগে এসে দাঁড়িয়েছে। সংখ্যার হিসাবে তা চার কোটি ১০ লাখ। গত বছর গুগল এবং অ্যামাজনের সুবাদে ৭ ইঞ্চি পর্দার ট্যাব বিক্রি হয় এক কোটি। এটি এ বছর দ্বিগুণের চেয়ে বেশি হবে বলে নির্মাতারা আশা করছেন। বাজারে ১৫০ ডলারের এসার ব্র্যান্ডের ‘বি১-এ৭১’ মডেলের ৭ ইঞ্চি পর্দার নতুন বাজার তৈরি হয়েছে। স্যামসাং এ বছর তাদের ট্যাব সরবরাহ দ্বিগুণ করবে এবং তা তিন কোটি ছাড়িয়ে যাবে। ট্যাবের বাজারে গুগল ছাড়াও অনেক শীর্ষ প্রযুক্তিনির্মাতাও আসছে নতুন বাণিজ্যিক ছকে। দামের হিসাবে ১০০ ডলার হচ্ছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় মূল্য। কিন্তু এখনো ট্যাবের দাম এই অঙ্কে নামিয়ে আনা যাচ্ছে না। তবে ১৫০ ডলারেও এখন ট্যাব পাওয়া যায় 

মহাকাশে একটি বানর পাঠিয়ে জীবন্ত ফেরত আনার দাবি করেছে ইরান


আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :

সিনেট জানিয়েছে, ৫০-এর শতকে এধরনের গবেষণার জন্য মহাকাশে বানর ও কুকুরের মতো একাধিক জীবন্ত প্রাণী পাঠিয়েছিলো মার্কিন ও সোভিয়েত সরকার। নভোযানে করে পৃথিবীর মাটি থেকে ৭২ মাইল উপরে মহাকাশে একটি বানর পাঠিয়ে জীবন্ত ফেরত আনার দাবি করেছে ইরানের সরকারি টিভি চ্যানেল।
পিশগাম নামের একটি রকেট মহাকাশে পাঠিয়ে সফলভাবে পৃথিবীতে ফেরত আনার কথা জানিয়েছে ইরান কর্তৃপক্ষ। রকেটটিতে একটি জীবন্ত বানর পাঠানো হয়েছিলো। পৃথিবীতে ফেরত আসার আগে ৭২ মাইল উচ্চতায় পৌঁছেছিলো রকেটটি।
তবে ইরান সত্যিই মহাকাশে কোনো রকেট পাঠিয়েছে কিনা সে ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ করেছে একাধিক সূত্র। পিশগাম রকেটটি কবে এবং কোথা থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিলো, সে ব্যাপারে কোনো তথ্য দেয়নি ইরান কর্তৃপক্ষ। ইরান থেকে সাম্প্রতিক সময়ে কোনো রকেট উৎক্ষেপণ করার ঘটনা নিশ্চিত করেনি প্রতিবেশী কোনো দেশের সরকারই।
http://www.ictworldnews24.com/মহাকাশে-একটি-বানর-পাঠিয়/
পুরোদমে মহাকাশ অভিযান চালু করার কথা ইরান বলে আসছে অনেকদিন ধরেই। তবে স্পেস প্রোগ্রামের নামে ইরান দূরপাল্লার মিসাইল বানাচ্ছে বলে দীর্ঘদিন ধরে আশংকা প্রকাশ করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ এবং পশ্চিমা পরাশক্তিগুলো।
এর আগে ২০১০ সালে ইরান ‘এক্সপ্লোরার’ নামের আরেকটি রকেট মহাকাশে পাঠিয়েছিলো। রকেটটির যাত্রী তালিকায় ছিলো জীবন্ত ইঁদুর ও কচ্ছপ। 

জাপানের ইলেকট্রনিক পণ্য নির্মাতা এনইসি তৈরি করছে দুই স্ক্রিনের স্মার্টফোন


আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :

জাপানের বৈদ্যুতিক পণ্য নির্মাতা এনইসি ক্যাসিও এবার দুই পর্দা বিশিষ্ট স্মার্টফোন নিয়ে হাজির হয়েছে। মিডিয়াস ডব্লিউ এন-০৫ই নামের এ স্মার্টফোনটির দুই পার্শ্বে রয়েছে দুইটি পর্দা। দুইটি পর্দার মাপই ৪.৩”। জাপানের মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান এনটিটি ডকোমো গত মঙ্গলবার এ স্মার্টফোন বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে।এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবল।
অ্যান্ড্রয়েড জেলিবিন নির্ভর মিডিয়াস ডব্লিউ স্মার্টফোনটিতে দুইটি স্ক্রিনের পাশাপাশি ১.৫ গিগাহার্টজ ডুয়াল কোর সিপিইউ, ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, এক গিগাবাইট র্যাম ও ১৬ গিগাবাইট তথ্য সংরক্ষণের সুবিধা রয়েছে।
http://www.ictworldnews24.com/জাপানের-ইলেকট্রনিক-পণ্য/
এ প্রসঙ্গে এনইসি’র ভাষ্য, মিডিয়াস ডব্লিউ স্মার্টফোনটির দুটি স্ক্রিন এমনভাবে ভাঁজ করা যায় যাতে তা একটি স্ক্রিন হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। আবার প্রয়োজনে দুটি স্ক্রিন আলাদা আলাদাভাবেও ব্যবহার করার সুবিধা রয়েছে মিডিয়াস ডব্লিউতে। একটি স্ক্রিন থেকে আরেক স্ক্রিনে একই অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের পাশাপাশি দুইটি স্ক্রিনে আলাদা অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারেন ব্যবহারকারী।
জাপানের বাজারে চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকে মিডিয়াস ডব্লিউ নামের এ স্মার্টফোনটি পাওয়া যাবে। এ স্মার্টফোনের দাম প্রকাশ করেনি এনইসি।
প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১২ সালের ডিসেম্বরে রাশিয়ার ইলেকট্রনিক পণ্য নির্মাতা ইয়োটা দুই স্ক্রিনের স্মার্টফোন বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছিল।

মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে ফেসবুক থেকে বিনা মূল্যে কল

আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :

সম্প্রতি ফেসবুকের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে বিনা মূল্যে একে অপরের সঙ্গে কথা বলার একটি বিশেষ সুবিধা চালু হয়েছে। বর্তমানে কেবল যুক্তরাষ্ট্রের আইফোন ব্যবহারকারীরা এই বিশেষ সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন। ফেসবুক মোবাইল অ্যাপের মেসেঞ্জার অংশ থেকে অনলাইনে থাকা অপর ব্যবহারকারীর সঙ্গে কথা বলা যাবে। তবে এটি ব্যবহার করতে হলে তারহীন ওয়াই-ফাই বা মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইন্টারনেটে যুক্ত থাকতে হবে।
http://www.ictworldnews24.com/মোবাইল-অ্যাপ্লিকেশন-ব্যব/
ফেসবুকের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে তাঁরা আইফোনের জন্য অ্যাপ প্রকাশ চালু করছেন এবং ফেসবুকের অ্যান্ড্রয়েড এবং ব্ল্যাকবেরি সংস্করণের অ্যাপগুলোতেও এই বৈশিষ্ট্য সংযোজনের কাজ চলছে। মোবাইল ফোনে যাঁদের বেশিকথা বলতে হয়, তাঁদের সুবিধার কথা বিবোচনা করেই ফেসবুক এটি চালু করেছে।
ফেসবুক অ্যাপের মাধ্যমে আরেকজনের সঙ্গে কথা বলার জন্য প্রত্যেককেই আইফোনের মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে থাকতে হবে। ডেস্কটপ বা অন্য মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ফেসবুকে অনলাইনে রয়েছে এমন ব্যবহারকারীর সঙ্গে এই পদ্ধতিতে কথা বলা যাবে না। আবার ফেসবুক থেকে অপর কোনো ফোনেও কল করার ব্যবস্থা রাখা হয়নি এখানে। আগে ফেসবুকে স্কাইপের মাধ্যমে ভিডিও কল করার সুবিধা চালু ছিল। তবে এই ক্ষেত্রে মোবাইল থেকে মোবাইলে যোগাযোগের জন্য আলাদা প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। আইফোনের পাশাপাশি অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীরাও যেন এ সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন, সে জন্য এই নতুন প্রযুক্তিটির মান উন্নয়নের কাজ করা হচ্ছে।
—বিবিসি অবলম্বনে

মোবাইল ফোনের ভেতরেই পানি কিবোর্ড


আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :

মোবাইল ফোন সেটে শত পানি ঢাললেও এক ফোঁটা ভেতরে ঢুকবে না এমন ওয়াটারটাইট ফোনও এখন পুরোনো গল্প। মোবাইল ফোনের ভেতরেই পানি। স্ক্রিনের কিবোর্ড বানানো হয়েছে সেই পানিতে। স্ক্রিনেই ভেসে উঠবে পানির কি বোর্ড। ছুঁলে লেখা হয়ে যাবে, তাতে ভিজবে না হাত। প্রস্তুতকারীরা এর নাম দিয়েছেন একটু কঠিন করে “মাইক্রোফ্লুইডিক”। বাংলাটি জমবে না বলেই লেখা হলো না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই বৈপ্লবিক মাইক্রোফ্লুইডিক প্রযুক্তি শিগগিরই স্মার্টফোন, গাড়ি ও গেম কন্ট্রোলারে অর্থাৎ যা কিছুর টাচ স্ক্রিন রয়েছে সেখানেই ব্যবহার করা সম্ভব হবে। এর কার্যকর ব্যবহার কষ্টকর টাইপিংয়ের ইতি ঘটাবে।
নতুন এই প্রযুক্তিতে একটি অদৃশ্য ফ্লুইড স্তর স্ক্রিনে বোতামের মতো উঠে আসবে আসবে অপ্রয়োজনে স্ক্রিনের কাচের ভেতরেই তা মিলিয়ে যাবে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকরা এই প্রযুক্তিটি বানিয়েছেন। এবছরের শেষভাবে এ প্রযুক্তি পুরোদমে উৎপাদনে যেতে পারবে বলেই তাদের ধারনা।
লাসভেগাসে একটি ৭ ইঞ্চি ট্যাবলেটের ওপর প্রযুক্তিটির প্রদর্শনী নিয়ে টেলিভিশনগুলো রিপোর্ট প্রচার করেছে। ট্যাকটাস নামের একটি প্রতিষ্ঠান এই নতুন আইডিয়া নিয়ে মাঠে নেমেছে। 
http://www.ictworldnews24.com/মোবাইল-ফোনের-ভেতরেই-পানি/

Tuesday, December 11, 2012

Open & Free Internet Browsing


আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :

World's Government ঘোষনা দিয়েছে যে, Internet Browsing আর Open & Free থাকবে না। অর্থ্যাৎ মাসে মাসে তো ইন্টারনেট বিল দিতেই হবে, সাথে Website Browse এর সময়ও টাকা বা ডলার দিয়ে আবার 
Browsing -এর মূল্য পরিশোধ করতে হবে। এবং তা আমাদের মত উন্নয়নশীল দেশে তা মোটামুটি অসম্ভব। তাই এই নীতি যাতে প্রণীত না হয় সে জন্য Search Engine Giant GOOGLE তাদের নতুন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এই কার্যক্রমে আপনি পারবেন World's Govt. কে আপনার মতামত দিতে যে আপনি কী চান? Free Internet Browsing করতে,নাকি Paid Internet Browsing করতে? এই অবস্থায় Paid Internet Browsing এর ক্ষেত্রে আপনার Personal Security -এর Priority বেশ ভাল থাকবে। কিন্তু বাংলাদেশে তা অনেক সুবিধা বয়ে আনলেও ইন্টারনেট ব্যাবহারকারীর সংখ্যা অনেক কমে যাবে। কারন অধিকাংশ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীই মধ্য আয়ের জনগন। তাই আসুন আমরা সবাই World's Govt. -এর কাছে আবেদন করি যাতে Internet Browsing বর্তমান অবস্থার মতই Open & Free Internet Browsing রাখা হয়। তা যেন Paid Internet Browsing না হয়।

এই জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম GOOGLE -এর এই লিঙ্কে যেতে হবে।
সেখানে আপনার First Name, Last Name, E-mail, Location এবং Add your Voice (আপনার বক্তব্য) লিখে SUBMIT বাটনে CLICK করুন। ব্যস আপনার কাজ হয়ে গেল। আপনিও Open & Free Internet Browsing এর পক্ষে একজন হয়ে গেলেন।
https://www.google.com/intl/en/takeaction/what-you-can-do/

আইবিএম আলোর সঙ্কেত ব্যবহার করে কাজ করার উপযোগী চিপ তৈরি করার জন্য গবেষণা করছে


আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :

মার্কিন প্রযুক্তিপণ্য প্রস্তুতকারক আইবিএম জানিয়েছে, তারা ইলেক্ট্রিক সঙ্কেতের বদলে আলোর সঙ্কেত ব্যবহার করে কাজ করার উপযোগী চিপ তৈরি করার জন্য গবেষণা করছে। নতুন ধরনের চিপটি তৈরি হলে কম্পিউটারের প্রসেসরে তথ্য স্থানান্তরের গতি বাড়বে। খবর বিবিসির।
আইবিএম-এর গবেষণা দলটি জানিয়েছে, প্রচলিত ইলেক্ট্রন স্রোতের বদলে আলোর কণার স্রোত দু’টি ক্ষেত্রে সুবিধাজনক। এক. কোনো তথ্য হারানোর ভয় ছাড়াই সার্ভার থেকে দূরবর্তী স্থানে ডেটা পাঠানো সম্ভব। দুই. আলোর মতোই দ্রুতগতিতে বিপুল পরিমাণ ডেটা ট্রান্সফার করা সম্ভব।
কিছু ডেটা সেন্টার অবশ্য ইতোমধ্যেই তামার তারের বদলে অপটিক্যাল কেবলের মাধ্যমে কম্পিউটারের বিভিন্ন চিপের ডেটা স্থানান্তর করে। কিন্তু এক্ষেত্রে আলোর সঙ্কেত থেকে তা আবার ইলেক্ট্রনিক সঙ্কেতে রূপান্তর করতে হয়। আইবিএম-এর নতুন চিপটি নির্মিত হলে সরাসরি আলোর সঙ্কেতই এক্ষেত্রে স্থানান্তর করা যাবে।
আইবিএম-এর গবেষক ড. সলোমন আসেফা বলেন, ‘যখন আপনি ইন্টারনেটে কিছু খোঁজেন, আপনার ডেটা একটা নির্দিষ্ট চিপে বা চিপের র‌্যাকেও থাকে না। বিপুল ডেটা সেন্টারে তথ্যটি ছড়ানো অবস্থায় থাকতে পারে। আপনি চান খুব দ্রুত ফলাফল। এখানেই প্রশ্ন আসে, চিপগুলো কিভাবে দ্রুততম উপায়ে সংযুক্ত করা যায়।’
প্রচলিত প্রযুক্তিতে বিপুল এ তথ্যভাণ্ডার থেকে এটি করা খুব কঠিন। নতুন প্রযুক্তিটি এক্ষেত্রে দ্রুত ও অর্থনৈতিকভাবে সাশ্রয়ীভাবে কাজ করতে সক্ষম বলে জানিয়েছে আইবিএম।