Wednesday, July 25, 2012

গুগল ট্যাবলেটের বাজিমাত : নেক্সাস ৭-এর স্টক শেষ

আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :
গুগল ট্যাবলেট কম্পিউটার বাজারে এসেছে এক মাসও হয়নি। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে ফুরিয়ে গেছে ট্যাবলেটটির একটি সংস্করণ। ইতোমধ্যেই বাজারে পরিচিত গুগলের অ্যাড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম। নেক্সাস ৭-এ ব্যবহৃত হয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ৪.১ জেলি বিন। এ ট্যাবলেটের ফিচারে রয়েছে ৭ ইঞ্চি টাচ স্ক্রিন, শক্তিশালী কোয়াড-কোর প্রসেসর, ক্যামেরা এবং নেয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি।
নেক্সাস ৭ জনপ্রিয়তা পাবে বলে আগেই ধারণা করা হয়েছিলো। এর সবচেয়ে বড় কারণ ছিলো, এটি বাজারে ছাড়া হয়েছিলো আইপ্যাডের অর্ধেক দামে। ৮ জিবি নেক্সাস ৭-এর দাম নির্ধারণ করা হয় ১৯৯ ডলার এবং ১৬ জিবি ২৪৯ ডলার। বাজারে আসার সঙ্গে সঙ্গেই ১৬ জিবি নেক্সাস তুমুল সাড়া ফেলে। তাই এখন গুগল স্টোরে ৮ জিবি নেক্সাস ৭ পাওয়া গেলেও ১৬ জিবির জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে আগ্রহীদের।

সমুদ্রের প্ল্যাংকটনের কার্বন শোষণ ক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব

আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :
পরিবেশকে কার্বন-মুক্ত করার একটি অভিনব উপায় নিয়ে গবেষণা করছে জার্মানির একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান।জার্মানির ব্রেমারহাভেনের অ্যালফ্রেড ভাগনার ইন্সটিটিউটের এই বিজ্ঞানী ভিক্টর স্মেটাচেক এই উপায় ব্যাখ্যা করে বলছেন সমুদ্রে লোহাযুক্ত সার ফেলে সমুদ্রের প্ল্যাংকটনের কার্বন শোষণ ক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব।সমুদ্রে তিমিসহ বড়ধরনের সামুদ্রিক মাছেদের যেসব খাদ্য থাকে যাদের প্ল্যাংকটন বলা হয়ে আয়রণ তাদের উদ্দীপ্ত করার ক্ষমতা রাখে ।বিজ্ঞানীরা দেখেছেন সাধারণ আয়রন সালফেট সার সমুদ্রের গভীরে নিয়ে ফেলতে পারলে ওই প্ল্যাংকটনগুলো উজ্জীবিত হয়ে ওঠে এবং বায়ুমন্ডল থেকে বেশিমাত্রায় কার্বন শোষণ করে ।অধ্যাপক স্মেটাচেক বলছেন এই পদ্ধতি ব্যবহার করে প্রতি বছরে সর্বোচ্চ এক গিগাটন পরিমাণ কার্বন ডাইঅক্সাইড বায়ুমন্ডল থেকে অপসারণ করা সম্ভব। অর্থাৎ বছরে এক বিলিয়ান টন কার্বন- যা রীতিমত উল্লেখযোগ্য একটা পরিমাণ

মধ্যরাতে বাড়ায় হতাশা টিভি,কম্পিউটার

আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :
বিনোদন ও তথ্যের প্রয়োজনে মধ্যরাতে টিভি বা কম্পিউটার স্ক্রিনে দীর্ঘসময় কাজ করলে আসক্তি বাড়ে। এটা আগেই প্রমাণ হয়। কিন্তু এবারের গবেষণায় উঠে এসেছে হতাশা এবং মেরুদন্ডের ব্যথার জন্য এ দুটি অভ্যাসই দায়ী।
রাতে ঘুমের সময় টিভি বা কম্পিউটার ব্যবহার হতাশা সৃষ্টি করে। গবেষণায় এমন তথ্যই বেরিয়ে এসেছে। আর নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রে ওহিও স্টেট ইউনিভার্সিটি মেডিকেল সেন্টার সূত্র।
গত ৫০ বছরে বিশ্বজুড়ে মানুষের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। আর তা ছড়িয়ে পড়ছে। ইলেকট্রনিক পণ্যের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং দীর্ঘ সান্নিধ্যের কারণে শারীরিক নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এর মধ্যে মেরুদন্ডে স্থায়ী ব্যথা এবং হতাশা অন্যতম হয়ে উঠেছে। গবেষকেরা এমনটাই বলছেন।
এ বিষয়ে গবেষক ট্রেসি বেডরোসিয়ান জানান, মানুষের মধ্যে দিন দিন হতাশা বাড়ছে। আর এ সংখ্যা মহিলাদের মধ্যেই সবচেয়ে বেশি। কর্মবিমুখ এবং নানামুখী চাপে মহিলার‍া হতাশায় ভুগছেন। এর জন্য মধ্যরাতের কম্পিউটার ব্যবহার এবং টিভি দেখাতেই অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ড্রাগ রেসিসটেন্ট এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা আফ্রিকায় বেড়েই চলেছে

আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :
ওষুধ প্রতিরোধী বা ড্রাগ রেসিসটেন্ট এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা আফ্রিকায় বেড়েই চলেছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় গত এক দশকে সাব সাহারান আফ্রিকার বিভিন্ন প্রদেশের মানুষের শরীর অনেক বেশী ড্রাগ রেসিসটেন্ট হয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। খবর বিবিসির।
মানুষের দেহের ভাইরাসকে ধ্বংস করার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করতে হয়। কিন্তু অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স সম্পন্ন না করা হলে এটি ভাইরাস ধ্বংস করতে তো পারেই না উল্টো ভাইরাসটি নিজেই অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। আর এ অবস্থাকেই বলা হয় ড্রাগ রেসিসটেন্স। ড্রাগ রেসিসটেন্ট শরীরে ভাইরাস আক্রমণও সহজ হয়।
প্রায় ২৬ হাজার মানুষকে পরীক্ষা করার পর উন্নয়নশীল দেশগুলোর মানুষের শরীর বেশি ড্রাগ রেসিসটেন্ট-এমন সিদ্ধান্তে এসেছে ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশন (ডব্লিউএইচও) এবং ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন (ইউসিএল)।
গবেষকরা বলেছেন, ড্রাগ রেসিসটেন্সের মাত্রা সবচেয়ে বেশি পূর্ব আফ্রিকায়। পশ্চিম আফ্রিকায় এর পরিমাণ শতকরা ১৪ ভাগ এবং পূর্ব আফ্রিকায় ২৯ ভাগ। আর তাই, এ অঞ্চলে এইচআইভি আক্রান্তের হারও বেশি।
ইউসিএল-এর গবেষক ড. রবীন্দ্র গুপ্ত বলেছেন, ‘ড্রাগ রেসিসটেন্সের মূল কারণ, সঠিকভাবে ওষুধ সেবন না করা। আমাদের গবেষণা অনুযায়ী, আমেরিকা এবং লন্ডনে ড্রাগ রেসিসটেন্সের পরিমাণ ১০ ভাগ। কিন্তু প্রতিনিয়ত ওষুধ পরিবর্তন এবং অনিয়মিত ওষুধ সেবনের কারণে এর পরিমাণ বেড়েই চলেছে।’
তবে ড. গুপ্ত জানান, ড্রাগ রেসিসটেন্স তেমন বড় সমস্যা নয়। কারো শরীর যদি ড্রাগ রেসিসটেন্ট হয়ে যায়, তবে অন্য কোনো থেরাপি ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে বিষয়টি শুরুর দিকেই নির্ধারণ করা জরুরি।

সাম্প্রতিক কয়েক বছরে দক্ষিণ এশিয়ায় ভূমিধসের প্রবণতা বেড়েছে

আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :
বিজ্ঞানীরা বলছেন বৃষ্টিপাতের ধরনে অস্বাভাবিক কিছু পরিবর্তন, ভূমিকম্পের তীব্রতা বৃদ্ধি এবং মানুষের অনিয়ন্ত্রিত কিছু কার্যকলাপ এর জন্য দায়ী।
বিজ্ঞানীরা এইসব ভূমিধসের যেসব কারণ চিহ্নিত করেছেন তার মধ্যে এলাকার ভূতাত্ত্বিক পরিস্থিতির পরিবর্তন এবং বৃষ্টিপাতের ধরন বদলে যাওয়াকে তারা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন।
তাঁরা বলছেন আকস্মিক বৃষ্টি, এবং যখন তখন অতিমাত্রায় বৃষ্টির ফলে পাহাড়ে মাটি এবং পাথরের সংযুক্ত থাকার ক্ষমতাও ক্রমশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে পাহাড়ি ঢালে মাটি ও পাথর এভাবে আলগা হয়ে যাওয়ার কারণে ভূমিধসের প্রবণতাও বেড়ে গেছে এবং ফলে ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনাও বেড়েছে।
ভূপৃষ্ঠের নিচে বিভিন্নধরনের তৎপরতা ও চাপ ক্রমশ বাড়তে থাকার কারণে দক্ষিণ এশিয়ায় মাটির নিচে নানাধরনের ভূতাত্ত্বিক পরিবর্তন এসেছে বলে বিজ্ঞানীদের মত।
এশিয়ায় বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে সক্রিয় অনেকগুলো টেকটনিক প্লেট রয়েছে- ফলে সেখানে ভূগর্ভে নড়াচড়ার কারণে বিভিন্নরকম স্খলনের আশংকা তৈরি হবার সম্ভাবনাও রয়েছে বেশি।

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) আইট্রিপলই সম্মেলন


রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) আয়োজন হতে যাচ্ছে ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্সের ‘ফার্স্ট আইট্রিপলই বাংলাদেশ সেকশন স্টুডেন্ট/গোল্ড কংগ্রেস’। রুয়েট মিলনায়তনে ২০ সেপ্টেম্বর এ সম্মেলন শুরু হবে।

প্রযুক্তি সেমিনার, কর্মশালা ও গ্রুপভিত্তিক আলোচনার পাশাপাশি এতে থাকবে তথ্যপ্রযুক্তি কুইজ প্রতিযোগিতাসহ কম্পিউটার গেইম ও প্রকল্প প্রতিযোগিতাও। এ আয়োজনে অংশ নিতে ৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনলাইনে নাম নিবন্ধন করতে হবে। তিন দিনব্যাপী এ আয়োজনের নিবন্ধন ফি ছাত্র সদস্যের জন্য ৬০০ টাকা এবং গোল্ড সদস্যের জন্য ৮০০ টাকা। আগ্রহীরা www.ieeeruet.org/registration/ieee-bangladesh-section-student-congress/ ঠিকানা থেকে অনলাইনে নিবন্ধন করার সুযোগ পাবেন।

অবতরণের শেষ পর্যায়ে সোলার প্লেন


আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :

জুন মাসে স্পেনের মাদ্রিদ থেকে আফ্রিকার মরক্কোয় উড়ে গিয়ে পৃথিবীর ইতিহাসে আন্তমহাদেশীয় ফ্লাইট সম্পন্ন করা প্রথম সোলার প্লেন হিসেবে নাম লিখিয়ে নিয়েছিলো সোলার ইমপালস। তবে আদতে তা ছিলো ৬ হাজার কিলোমিটারের যাত্রার অংশ মাত্র।
মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের পেয়ার্নের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে সোলার ইমপালস।
সেখানে পৌঁছালেই শেষ হবে প্লেনটির দীর্ঘ যাত্রা। খবর গিজম্যাগ-এর।
ফ্রান্সের টুলুস ফ্র্যাঙ্কাজাল এয়ারপোর্ট থেকে ভোর ৫টায় সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে সোলার প্লেনটি।
টপকে যাবে আল্পস পর্বতমালা। মাটি থেকে প্রায় ১২০০০ ফিট উপর দিয়ে উড়ে যাবে প্লেনটি। আর সবকিছু পরিকল্পনা মেতাবেক হলে সুইজারল্যান্ডের পেয়ার্ন এয়ারফিল্ডে অবতরণ করবে সন্ধা ৬টার পর।
২৪ মে তারিখে সুইজারল্যান্ডের পেয়ার্ন এয়ারফিল্ড থেকেই আন্তমহাদেশীয় যাত্রা শুরু করেছিলো সোলার ইমপালস।
পুরো ৬ হাজার কিলোমিটারের যাত্রাপথকে ভাগ করা হয়েছিলো কম-বেশি ৮শ’ কিলোমিটারের ৮টি ভাগে। যাত্রাপথে ৪টি দেশে অবতরণ করেছিল সোলার ইমপালস।