Saturday, July 14, 2012

নকিয়া আনছে ৬টি ‘উইন্ডোজ ফোন ৮’


আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :
 সম্প্রতি ডব্লিউপিড্যাঙ্গ ডট কম নামের চীনের একটি ওয়েবসাইটে নকিয়ার কয়েকটি উইন্ডোজ ফোনের নথিপত্র ফাঁস হয়েছে। এই ওয়েবসাইটে নজির স্বরুপ দেখানো হয়েছে যে নকিয়া উইন্ডোজ চালিত বেশ কয়েকটি ফোন তৈরির সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। কিন্তু নকিয়ার পরিকল্পনা তালিকার তথ্যাবলী দেখে অনুমান করা যাচ্ছে যেগুলি বিদ্যমান উইন্ডোজ ফোনগুলোর অনুরুপ।
উল্লেখ্য, ছকের তালিকায় যুক্ত পণ্যের কোড নামের মধ্যে আছে নকিয়া ফাই, ফ্লুয়িড এবং ডগফোন। এছাড়াও আছে স্যামসাং এসজিএইচ-১৬৮৭ এবং জুগারনট আলফা, নকিয়ার পক্ষ থেকে যখন চুড়ান্ত ঘোষণা আসবে তখন এ পণ্য দুটির কোড নাম পরিবর্তন হবে বলে নিশ্চিত ধারণা করা যাচ্ছে।
এদিকে ফোনএরিনা ডট কম এর প্রদর্শিত তথ্য অনুযায়ী, নকিয়া পিউরভিউ এর জন্য পণ্যের কোড নাম খুব সম্ভবত পি৪৩০১ হবে। বর্তমানে পিউরভিউ সম্পূর্ণভাবে উইন্ডোজ ফোন ৮ এর অধীনে। এছাড়া জুগারনট আলফা হওয়া সত্বেও এদিকটাই দৃষ্টি দেওয়ার কারণ হিসেবে জানানো হয়েছে পণ্যটির নির্মাণ বিবরণী তথ্য ঠিক আসন্ন উইন্ডোজ ফোনের মত।
কিন্তু এ মুহূর্তের বিদ্যমান তথ্য থেকে প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে কেবল কোড নাম ব্যতীত অন্য কোনো তথ্য নেই যা নকিয়া ভক্তদের আন্দোলিত করবে। তারপরেও বিষয়টি সত্য বলে অনুমান করা হচ্ছে।

লুমিয়াতে ৪১ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা


আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :

যারা স্মার্টফোনে বেশি মেগাপিক্সেলের ক্যামেরার সন্ধান করছেন, তাঁদের জন্য সুখবর। লুমিয়া সিরিজের স্মার্টফোনে ৪১ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা যুক্ত করছে প্রতিষ্ঠানটি।
নকিয়ার ওয়ার্ল্ডওয়াইড ডেভেলপার রিলেশনসের ভাইস প্রেসিডেন্ট রিচার্ড কেরিসের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
বর্তমানে নকিয়ার ‘৮০৮পিওরভিউ’ নামের স্মার্টফোনে ৪১ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা রয়েছে। ৮০৮পিওরভিউয়ের ক্যামেরা প্রযুক্তিটিই লুমিয়া সিরিজের স্মার্টফোনে যুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে নকিয়া।
রিচার্ড কেরিস আরও জানিয়েছেন, বর্তমানে সিমবিয়ান অপারেটিং সিস্টেমের জন্য ৪১ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা প্রযুক্তিটিকে শিগগিরই নকিয়ার উইন্ডোজ ফোনে আনতে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

হুন্দাই এবারে ট্যাবলেট কম্পিউটার বাজারে আনছে


আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :

দক্ষিণ কোরিয়ার গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হুন্দাই এবারে ট্যাবলেট কম্পিউটার বাজারে আনছে। ‘হুন্দাই ট্যাব’ নামের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর এই ট্যাবলেট প্রথমত রাশিয়ার বাজারে উন্মুক্ত করবে প্রতিষ্ঠানটি। হুন্দাইয়ের কর্মকর্তার বরাতে ইন্দো এশিয়ান নিউজ সার্ভিস এক খবরে জানিয়েছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে রাশিয়ার বাজারে আসবে হুন্দাই ট্যাব।
হুন্দাইয়ের ট্যাবলেট কম্পিউটারের মধ্যে দুটি হবে সাত ইঞ্চি পর্দার। একটি হবে ৯ দশমিক ৭ ইঞ্চি ও অন্যটি হবে ১০ দশমিক ১ ইঞ্চি মাপের। ট্যাবলেটে সুবিধা হিসেবে থাকবে ১ গিগাবাইট র্যাম, ৮ গিগাবাইট মেমোরি, ওয়াই-ফাই ও ব্লুটুথ।
হুন্দাই ট্যাবলেটের দাম হতে পারে ২১৫ ডলারের কাছাকাছি।
জানা গেছে, চীনের পাশাপাশি রাশিয়ার ট্যাবলেট তৈরির কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে হুন্দাই।

বাজারে আসছে স্যামসাংয়ের ‘ফ্যাবলেট’


আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :

যারা ট্যাবলেট আর স্মার্টফোনের মাঝামাঝি আকারের কোনো পণ্য খুঁজছেন, তাঁদের জন্য বাজারে আসছে স্যামসাংয়ের ‘ফ্যাবলেট’।
স্মার্টফোনের তুলনায় আকারে বড় আবার ট্যাবলেটের তুলনায় আকারে ছোট এ ধরনের পণ্যগুলোকে ‘ফ্যাবলেট’ বলে। ‘স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ২’ হবে সেই ফ্যাবলেট। স্যামসাং এই পণ্যটিকে ফ্যাবলেট বলার কারণ হচ্ছে, এর ডিসপ্লে বা পর্দার মাপ।
বর্তমানে বাজারে থাকা ৫.৩ ইঞ্চি মাপের স্যামসাং গ্যালাক্সি নোটের পরবর্তী সংস্করণ ‘গ্যালাক্সি নোট ২’ এর মাপ হবে ৫.৫ ইঞ্চি।
আগস্ট মাস নাগাদ বার্লিনে অনুষ্ঠিতব্য আইএফএ সভায় বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দিতে পারে স্যামসাং। এক খবরে টাইমস অব ইন্ডিয়া এ তথ্য জানিয়েছে।
‘গ্যালাক্সি নোট ২’ বা ফ্যাবলেটে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ব্যবহূত হবে অ্যান্ড্রয়েডের সর্বশেষ সংস্করণ জেলি বিন। এই পণ্যটিতে ১২ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা যুক্ত করতে পারে স্যামসাং। এআরএমের তৈরি সিপিইউ, কোয়াড কোরের এক্সিনয়িস প্রসেসর যুক্ত হবে স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ২ বা ফ্যাবলেটে।

পানিরোধক ডিজিটাল ক্যামেরা


আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :

পানির নিচের ছবি না তুলতে পারার আক্ষেপ রয়েছে অনেকের। তাঁদের মনোবেদনা কমাতে জেনারেল ইমেজিং বাজারে এনেছে পানিরোধক ডিজিটাল ক্যামেরা।
এতে রয়েছে ১২ দশমিক ২ মেগাপিক্সেল লেন্স, ৪ এক্স অপটিক্যাল এবং ৪.৫ এক্স ডিজিটাল জুম।
আছে অটো ব্রাইটনেস সুবিধার ২.৭ ইঞ্চির এলসিডি পর্দা, ফেইস ডিটেকশন, রেড আই রিমুভাল, ইমেজ ডিটেকশন প্রভৃতি সুবিধা। ১৮ মেগাবাইটের ইন্টারনাল মেমোরিসহ ক্যামেরাটির তথ্য ধারণক্ষমতা ১৬ গিগাবাইট।

সাড়ে চার লাখ অ্যাকাউন্ট হুমকিতে ইয়াহুর


আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :

ইয়াহু তাদের কয়েক লাখ ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড চুরি যাওয়ার কথা নিশ্চিত করার পর বৃহস্পতিবার ইন্টারনেট নিরাপত্তা গবেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, এখন হাজার হাজার ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হ্যাকারদের কবলে পড়ার হুমকিতে আছেন।
ইয়াহু স্বীকার করেছে, তাদের একটি ড্যাটাবেজ থেকে অন্তত ৪ লাখ ৫০ হাজার ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড চুরি গেছে।
কোম্পানির মুখপাত্র ডানা লেংকিক এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, যে নিরাপত্তা দুর্বলতার কারণে এ চুরির ঘটনা ঘটেছে কোম্পানি সে ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছে। ব্যবহারকারীদের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন এবং যাদের অ্যাকউন্ট অরক্ষিত হয়ে পড়ার সমূহ আশঙ্কা আছে তাদের সতর্ক করে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তবে চুরি যাওয়া অ্যাকাউন্টগুলোর মধ্যে ৫ শতাংশেরও কমের কার্যকর (ভ্যালিড) পাসওয়ার্ড আছে বলে জানিয়েছে ইয়াহু।
নিরাপত্তা দুর্বলতার কারণে হ্যাকিংয়ের স্বীকার ব্যবহারকারীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছে তারা। এ ধরনের ঝুঁকি এড়াতে তারা ব্যবহারকারীদের তাদের পাসওয়ার্ড নিয়মিতভাবে পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়েছে।
এদিকে রেপিড-৭ এর নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ মারকাস ক্যারি বলেছেন, “অনেক মানুষ একাধিক সাইটে একই ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে। এ কারণে হ্যাকাররা এখন পেপল অ্যাকাউন্টেও হানা দেওয়ার সুযোগ পাবে। এছাড়া সরকারি এবং সামরিক যেসব অ্যাকাউন্ট যা ইয়াহু ভয়েসে নিবন্ধনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলো মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে আছে।” ইয়াহু ভয়েস একটি প্রকাশনা প্ল্যাটফর্ম যা অ্যাসোসিয়েটেড কনটেন্ট নামে বেশি পরিচিত।
ক্যারি আরো জানিয়েছেন, ফাইল শেয়ারিং ওয়েবসাইট Pastebin এ প্রকাশিত ইয়াহুর চুরি যাওয়া অ্যাকাউন্টগুলো বিশ্লেষণ করে তিনি দেখেছেন- ইয়াহু ভয়েস ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন ধরনের অ্যাকাউন্ট দিয়ে নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে- প্রায় এক লাখ ৪০ হাজারটি ইয়াহু, এক লাখেরও বেশি জিমেইল, ৫৫ হাজারেরও বেশি হটমেইল এবং ২৫ হাজাররেরও বেশি এওএল অ্যাড্রেস রয়েছে।
হাফিংটন পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আরো বলেছেন, “যেহেতু অনেক ব্যবহারকারী একই পাসওয়ার্ড একাধিক স্থানে ব্যবহার করেন, এ কারণে হাজার হাজার মানুষ এখন হ্যাকারদের কবলে পড়ার উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে আছেন।”
এদিকে ইয়াহুর অ্যাকাউন্ট চুরির দাবি করে D33D নামের একটি হ্যাকার গ্রুপ জানিয়েছে, তারা ইয়াহু ভয়েসের অনেকগুলো অ্যাকাউন্টের ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড প্রকাশ করে দিয়েছে।
তবে তারা এক বিবৃতিতে বলেছে, “আমরা আশা করছি, যারা এসব সাবডোমেইনের নিরাপত্তার দায়িত্বে আছেন তারা একে হুমকি না ভেবে তাদের জন্য এটা একটা সতর্কীকরণ বার্তা হিসেবে নেবেন।”
তারা বলেছে, “ইয়াহু ইনকেরপোরেশনের ওয়েব সার্ভারগুলোতে নিরাপত্তায় অনেক ফাঁক রয়েছে। সে কারণে আমাদের এই হ্যাকিংয়ের চেয়ে ভবিষ্যতে তাদের আরো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। সুতরাং দয়া করে একে হালাকাভাবে নেবেন না।”
হ্যাকাররা আরো বলেছে, এসকিউএল (ড্যাটাবেজ লেঙ্গুয়েজ) ইনজেকশন টেকনিক ব্যবহার করে কিছু কমান্ড দিয়েই তারা ইয়াহুর ড্যাটাবেজ থেকে খুব সহজেই তথ্য উদ্ধার করতে পেরেছে।
এ ব্যাপারে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ক্যারি বলছেন, “এটা হতে পারে এটিএম কার্ডে প্রতারণা করার মতো একটা ব্যাপার। যেভাবে আপনার অ্যাকাউন্টে অতিরিক্ত টাকা এসে জমা হবে।”
ইয়াহুর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় দুর্বলতার কারণেই যে এ ঘটনা ঘটেছে সে ব্যাপার বিশেষজ্ঞরা একমত। তারা এর তীব্র সমালোচনাও করেছেন।
কোর সিকিউরিটির একজন জ্যেষ্ঠ উৎপাদন ব্যবস্থাপক অ্যালেক্স হোরান ইয়াহুর ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ ব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন। কোনো ধরনের এনক্রিপশন (সংকেতের মাধ্যমে গোপন করা) ছাড়াই সংরক্ষণ করার কারণে তথ্যগুলো অনেক অরক্ষিত থাকে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ইয়াহুর মতো একটা কোম্পানি এ ব্যবস্থা না নেওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন হোরান।
প্রসঙ্গত, ইন্টারনেট জগতে এ ধরনের তথ্য চুরির ঘটনা নতুন নয়। তবে কোম্পানির সেবা গ্রহণকারীদের তথ্য চুরি মারাত্মক হুমকির বিষয় বলেই বিবেচনা করা হয়।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার সকালের দিকে সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফর্মস্প্রিং জানিয়েছে, হ্যাকাররা তাদের ৪ লাখ ২০ হাজার অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত অনলাইনে প্রকাশ করে দিয়েছে।
গত মাসে এ ধরনের আরেকটি ওয়েবসাইট লিঙ্কডইন জানায়, তাদের ব্যবহারকারীদের ৬৫ লাখ পাসওয়ার্ড প্রকাশ হয়ে গেছে। এখন তারা নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো ত্রুটিমুক্ত করার কাজ করছে।
ইন্টারনেটে এভাবে অহরহ ব্যক্তিগত তথ্যচুরির প্রেক্ষিতে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো- ব্যবহারকারীরা তাদের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে একক এবং জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে এ ধরনের ঝুঁকি এড়ানো যাবে।

অন্ধকার ছায়াপথের প্রমান


আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :

মহাকাশে অন্ধকার ছায়াপথের প্রথম প্রমাণ দেখতে পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন চিলির জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।শক্তিশালী টেলিস্কোপ ব্যবহার করে তারা প্রথমবারের মতো মহাকাশে এই ছায়াপথের অস্তিত্বের প্রমান পান বলে জানানো হয়েছে।
১৫টি দেশের সহায়তায় গঠিত ইউরোপিয়ান সাউদার্ন অবজারভেটরি (ইএসও) জানায়, অন্ধকার ছায়াপথ হলো, মহাবিশ্বের সূচনালগ্নের ছোট গ্যাস-সমৃদ্ধ ছায়াপথ।ধারণা করা হয়, বর্তমানে মহাবিশ্বের উজ্জ্বল ও নক্ষত্রপূর্ণ ছায়াপথগুলোর মূল উপাদান হলো অন্ধকার ছায়াপথ।
ইএসও’র এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সম্ভবত প্রথমবারের মতো ছায়াপথের আদি সংগঠন অন্ধকার ছায়াপথ সনাক্ত হয়েছে।এতদিন তাত্ত্বিকভাবে অন্ধকার ছায়াপথের কথা বলা হলেও পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েনি।’
বিবৃতিতে বলা হয়, একটি আন্তর্জাতিক টিম বৃহদাকার টেলিস্কোপ ব্যবহার করে এতোদিনের অধরা অন্ধকার ছায়াপথকে একটি কোয়েসারের আলোক সম্পাতে দীপ্যমান অবস্থায় পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সনাক্ত করেছেন বলে মনে করছেন।
ইএসও বিশ্বের সবচেয়ে অগ্রসর মানমন্দির। এটি চিলিতে তিনটি সাইট পরিচালনা করে থাকে।
চিলির আটাকামা মরুভূমিতে অবস্থিত ইএসও’র প্যারালাল সাইটে যে অতি বৃহৎ টেলিস্কোপটি বসানো হয়েছে, এর মাধ্যমে খালি চোখে যেসব বস্তু দেখা যায়, তার চেয়ে চারশ’ কোটি গুন ঝাপসা বস্তু দেখা যায়।
বিবৃতিতে গবেষক সিমন লিলি বলেন, অন্ধকার ছায়াপথ সনাক্ত করতে আমাদের কৌশল ছিল, এর ওপর কেবল একটি উজ্জ্বল আলো ফেলা।