Saturday, October 5, 2013

একজন ষ্টিভ জবস

মুহাম্মদ মামুনুর রশীদ
আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ :

ষ্টিভ জবস আমাদের সবার মাঝে অনেক দিন বেঁচে থাকবেন। মানুষ আরো কয়েক প্রজন্ম ধরে ষ্টিভ জবসের মতো কারো জন্য অপেক্ষা করবে। কেউ কেউ তার নোবেল পুরষ্কারের দাবি তুলেছেন। সত্যটা তো এই যে, তিনি আমাদের কোটি মানুষের জীবন যাত্রাকে পাল্টে দিয়েছেন। চলুন দেখি সেই মানুষটি সম্পর্কে
একজন সংগ্রামী মানুষঃ
গল্প ও বুঝি এতটা রোমাঞ্চকর হয় না, যতটা ষ্টিভ জবস জীবন কাহিনী। একেবারে শূন্যে হাতে তিনি অ্যাপল প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করেছিলেন। আর এক জীবনেই হয়েছেন যুক্তরাষ্টের রাষ্ট্রীয় কোষাগারের চেয়েও বেশি সম্পদের মালিক। এ অবস্থানে আসতে জবস যত বাধা পেয়েছেন ততটা বেশিজনের জীবনে আসেনি। প্রযুক্তি দুনিসয়ার মানুষের কাছে তিনি একজন সংগ্রামী মানুষেরই মানুষেরই প্রতিকৃতি।
স্টিভ জবস (পুরোনাম: স্টিভেন পল জবস) (ইংরেজি: Steven Paul “Steve” Jobs) (জন্ম ফেব্রুয়ারি ২৪, ১৯৫৫, মৃত্যু ৫ অক্টোবর ২০১১) যুক্তরাষ্ট্রের একজন উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবক। তাকে পার্সোনাল কম্পিউটার বিপ্লবের পথিকৃৎ বলা হয়। তিনি স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন-এর সাথে ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে অ্যাপল কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি অ্যাপল ইনকর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম ও সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনি পিক্সার এ্যানিমেশন স্টুডিওস-এরও প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম ও সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। ১৯৮৫ সালে অ্যাপল ইনকর্পোরেশনের বোর্ড অব ডিরেক্টর্সের সদস্যদের সাথে বিরোধে জড়িয়ে তিনি অ্যাপল ইনকর্পোরেশনের থেকে পদত্যাগ করেন এবং নেক্সট কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৯৬ সালে অ্যাপল কম্পিউটার নেক্সট কম্পিউটারকে কিনে নিলে তিনি অ্যাপলে ফিরে আসেন। তিনি ১৯৯৫ সালে টয় স্টোরি নামের অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেন।
যুদ্ধ দিয়ে শুরু জীবনঃ
১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্র“য়ারী তাঁর জন্ম। অবিবাহিত মা-বাবার সন্তান ষ্টিভকে দত্তকে নেন পল ও ক্লারা জবস। ষ্টিভ নামটিও তাদের দেওয়া। ক্যালিফোনিয়ার  হোমষ্টেড হাই স্কুলে শুরু হয় শিক্ষাজীবন। স্কুলে পড়া অবস্থায়ই চাকরি নেন হিউে লট-প্যাকার্ড বা এইচপিতে। এরপর “অ্যাটারি” নামের একটি ভিডিও গেইম তৈরির প্রতিষ্ঠানে কাজ নেন। ১৯৭৬ সালে বন্ধু ষ্টিভ ওজনেক আর রোনাল্ড ওয়েনকে নিয়ে অ্যাপল কম্পিউটার তৈরির কাজ শুরু করেন। সফল হওয়ার তুমুল  ইচ্ছা ছাড়া বেশি কিছু সম্বল ছিল না। .........
সংবাদের বিস্তারিত দেখুন ... 

নির্ধারিত হয়েছে দেশের ফোন কোম্পানিগুলোর থ্রিজি প্যাকেজ সমূহের দাম

আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ  :
থ্রিজি প্যাকেজ সমুহের দাম,
গ্রামীনফোনঃ 
স্পীড ৫১২ কেবিপিএস
৫০০ মেগাবাইট – ৫০ টাকা – ৫ দিন
১ গিগাবাইট -৪০০ টাকা- ১৫দিন
১গিগাবাইট -৪৫০টাকা- ৩০দিন
২ গিগাবাইট – ৬৫০ টাকা – ৩০ দিন
৪ গিগাবাইট -৯০০টাকা
৫ গিগাবাইট -৯৫০টাকা
স্পীড ৮০০ কেবিপিএস
১ গিগাবাইট – ৫০০ টাকা – ৩০ দিন
৫ গিগাবাইট – ১০০০ টাকা – ৩০ দিন
স্পীড ১ এম বি পি এস
১ গিগাবাইট – ৬০০ টাকা – ১৫ দিন
২ গিগাবাইট – ৮৫০ টাকা – ৩০ দিন
৩ গিগাবাইট – ১০০০ টাকা – ৩০ দিন
৪ গিগাবাইট – ১২০০ টাকা – ৩০ দিন
৫ গিগাবাইট – ১৩০০ টাকা – ৩০ দিন
৬ গিগাবাইট – ১৪০০ টাকা – ৩০ দিন
বাংলালিঙ্ক এর প্যাকেজ সমুহঃ
স্পীড ১ এম বি পি এস...................
সংবাদের বিস্তারিত দেখুন ... 

Tuesday, September 3, 2013

ফোন কোম্পানিগুলো পূর্ব নির্দেশনা না দিয়েই গ্রাহকদের হয়রানি করছে

মুহাম্মদ মামুনুর রশীদ
আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ :
http://ictworldnews24.com/
ফোন কোম্পানিগুলো পূর্ব নির্দেশনা না দিয়েই গ্রাহকদের হয়রানি করছে। কোনো প্রকার নির্দেশনা না দিয়েই গ্রাহকদের অ্যাক্টিভ প্যাকেজ পরিবর্তন, Hidden charge, গ্রাহক সেবা নামে প্রতিদিন ডজন ডজন এসএমএস দিয়ে বিরক্ত করা ইত্যাদি। ফোন কোম্পানিগুলো এই ধরনের আচরণ সাধারন মানুষ তথা গ্রাহকদের বিরক্ত করা সহ নামে বেনামে কল চার্জ বেশি নেওয়া হচ্ছে। এতে ফোন কোম্পানিগুলোর প্রতি গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভের উদ্বেগ ঘটছে। সম্মানিত কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

Friday, July 19, 2013

আমাদের হুমায়ূন স্যার

মুহাম্মদ মামুনুর রশীদ
আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ :আমাদের  গল্পের জাদুকর, মেঘের ওপারে কেমন আছেন স্যার। মেঘে মেঘে অনেক বেলা হয়ে গেছে। গত ১ বছরে অনেকগুলো জোছনা রাত কেটে গেছে, উথালপাতাল বৃষ্টি হয়েছে, আকাশ ভেঙে জোছনা নেমেছে প্রতি রাতেই আপনাকে ভেবেছি। চেষ্টা করেছি আপনার মতো করে জোছনা রাত দেখার।
‘১৩ নভেম্বর মধ্যরাতে মানুষটার জন্ম। সন ১৯৪৮। বাংলাসাহিত্যের কিংবদন্তি তিনি। সম্পূর্ণ নিজের ভাষায় লিখেছেন মৌলিক সব আশ্চর্য উপন্যাস, ছোটগল্প। নন্দিত নরকে, শঙ্খনীল কারাগার থেকে শুরু করে মধ্যাহ্ন—কী আশ্চর্য সব সৃষ্টি। মানুষটা সৃষ্টি করেছেন আসাধারন সব কাজ, বদলে দিয়েছেন বাংলাদেশের টেলিভিশন নাটক। তাঁর অয়োময় কিংবা বহুব্রীহি কিংবা কোথাও কেউ নেই-এর কথা কে ভুলতে পারবে? আগুনের পরশমণি  কিংবা শ্রাবণ মেঘের দিন-এর মতো সিনেমা আমাদের আবার সিনেমা হলে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে, আমাদের চোখ ভিজিয়ে দিয়েছে। আজকের ছেলেমেয়েরা বৃষ্টিতে ভিজতে চায়, জোছনা দেখতে চায়, সে  তো তাঁর কাছ থেকে শেখা। তারা ‘হিমু’ হতে চায়, ‘মিসির আলী’র মতো করে যুক্তি খোঁজে। বাংলাদেশের বেশির ভাগ ছেলেমেয়ের গদ্য আজ সহজ, কিন্তু সুন্দর—সে তো হুমায়ূন পড়ে পড়েই শেখা। আমার বিশ্বাস স্যার আপনি মেঘের ওপারে বসে সব দেখছেন। পূর্ণিমা আসতে বেশ দেরি, এই পূর্ণিমাতে বড় বেশি মিস করবো আপনাকে। গল্পগুলো শেষ না করে মাঝপথে চলে যেতে নেই। কি এমন বয়স হয়েছিলো আপনার যে চলে গেলেন। আপনার মতো প্রাণপ্রাচুর্যভরা মানুষের, সৃষ্টিশীল প্রতিভার মৃত্যু নেই। এই দেশে আবারও আকাশ ভেঙে জোছনা আসবে। উথালপাতাল বৃষ্টি নামবে নীপবনে। সেই সব জোছনায়, সেই কদম ফুলের রেণুতে আমরা আমাদের সেই মানুশটাকে পাব। তিনি আমাদের চৈতন্য এবং নিসর্গের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে মিশে থাকবেন। আমরা যারা তাঁর সমসাময়িক কালে বাংলাদেশে ছিলাম, তারা কোনো দিনও তাঁকে ভুলতে পারব না। স্যার আপনি দেখুন, আপনার জন্য কোটি কোটি পাঠক, ভক্ত আজ পূর্ণিমা না হওয়া সত্ত্বেও,  তারা পূর্ণিমার জন্য অপেক্ষা করছে।  ভালো থাকবেন স্যার, আপনাকে ছাড়া  আমরা ভালো নেই ।
আমাদের হুমায়ূন স্যার
আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ :
সংবাদের বিস্তারিত দেখুন ...
http://ictworldnews24.com/category/সম্পাদকীয়/http://ictworldnews24.com/আমাদের-হুমায়ূন-স্যার/

Thursday, June 6, 2013

আইসিটি বাজেট প্রতিক্রিয়া ২০১৩-২০১৪


বাজেটে ইন্টারনেটের সেবা ব্যয় কমানো সহ সিম কার্ড, ওয়েব ও ডিজিটাল ক্যামেরা, অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলের শুল্ক কমানোর প্রস্তাব
আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ :
সংবাদের বিস্তারিত দেখুন ...
http://www.ictworldnews24.com/বাজেটে-ইন্টারনেটের-সেবা/

Please don't waste Food

বছরে নষ্ট হচ্ছে ২০০ কোটি টনের বেশি খাবার, যা বিশ্বে উৎপাদিত মোট খাবারের অর্ধেক
আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :
সংবাদের বিস্তারিত দেখুন ...
http://www.ictworldnews24.com/বছর-নষ্ট-হচ্ছে-২০০-কোটি-টন/

Wednesday, June 5, 2013

পৃথিবীর ভবিষ্যতের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হবে তরল বায়ু


আইসিটি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেস্ক :

গাড়ি ছাড়া আধুনিক নাগরিক জীবনের একটি দিনও কল্পনা করা যায় না। তাই পরিবেশবান্ধব গাড়ি তৈরিতে রয়েছে প্রকৌশলীদের অব্যাহত চেষ্টা। নানা উৎস থেকে নির্গত কার্বন গ্যাস ক্রমাগত পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা বাড়িয়ে চলেছে। গাড়ির ধোঁয়াও এর জন্য অনেকাংশে দায়ী। খবর টেলিগ্রাফ অনলাইন। বায়ুকে গাড়ির জ্বালানিরূপে ব্যবহার করতে চান তাঁরা। তবে তরল বায়ু। স্বাভাবিক বাতাসকে মাইনাস ১৯৬ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় তরল করে সেটিকে গাড়ির জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করতে চাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। মূলত তরলীকৃত নাইট্রোজেনের ধারণাটিকেই এখানে কাজে লাগাতে চান তাঁরা। আমরা যে বাতাসে নিঃশ্বাস নিই, এর ৭৮ শতাংশ হচ্ছে নাইট্রোজেন গ্যাস। একটা ভ্যাকুয়াম ফ্লাস্কে আঠালো ও নীল রঙের এক লিটার তরল নাইট্রোজেন মানে হচ্ছে ৭০০ লিটার স্বাভাবিক বায়ু। অর্থাৎ এটিকে ফ্লাস্ক থেকে বের করে দিলে তা নিমেষেই ৭০০ গুণ
ছড়িয়ে গিয়ে পৃথিবীর বাতাসে মিশে যাবে; কোনোরকম বায়ুদূষণ না ঘটিয়ে। সুতরাং তরল বায়ুকে গাড়ির জ্বালানি হিসেবে কাজে লাগানো গেলে সেই গাড়ির ধোঁয়া বাতাসকে দূষিত করবে না। তাঁরা জানান, প্রতিদিন নানা উৎস থেকে উৎপাদিত নাইট্রোজেনের মধ্যে প্রায় সাড়ে আট হাজার টন উদ্বৃত্ত হিসেবে বাতাসে মিশে যায়। এই নাইট্রোজেনকে তরলীকৃত করা হলে তা দিয়ে প্রতিদিন সাড়ে ছয় কোটি কিলোমিটার পথ চলার ব্যবস্থা করা সম্ভব। যুক্তরাজ্যের বর্তমান বিদ্যুৎ মূল্যের হিসাবে এক লিটার তরল নাইট্রোজেন উৎপাদনের জন্য মাত্র আড়াই থেকে সাড়ে তিন পেনির বিদ্যুৎ খরচ হবে। আর এ খরচ ভবিষ্যতে আরো কমানো সম্ভব বলে বিশেষজ্ঞদের দাবি। সুতরাং একদিকে সাশ্রয় আর অন্যদিকে পরিবেশ রক্ষা- সব মিলিয়ে অদূর ভবিষ্যতে গাড়ি চালাতে তরল বায়ু ব্যবহারের ব্যাপারে আশাবাদী তাঁরা।
উল্লেখ্য, নাইট্রোজেন গ্যাসকে তরল করে সেটিকে গাড়ির জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করার ঘটনাটি ঘটে গেছে ১৯০২ সালে। ১৫ গ্যালন তরল বায়ু ব্যবহার করে মোট ৪০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছিল সে সময় তৈরি করা গাড়িটি। এটির গতি ছিল ঘণ্টায় ১২ কিলোমিটার। তবে তরল বায়ুর উৎপাদন ও সংরক্ষণব্যবস্থা, এটিকে কাজে লাগানোর জন্য বিশেষ ধরনের ইঞ্জিন তৈরি- এমন নানামুখী জটিলতায় তখন সেই গাড়ির বাণিজ্যিকীকরণ হয়নি। তাই বলে থেমে নেই মানুষের প্রচেষ্টা। নানা ধরনের গবেষণা শেষে গত ৯ মে যুক্তরাজ্যের রয়্যাল একাডেমী অব ইঞ্জিনিয়ারিং সম্মেলনে তরল বায়ুর ব্যবহারসম্পর্কিত তাত্তি্বক ও প্রায়োগিক খরচের তথ্য তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞরা। http://www.ictworldnews24.com/পৃথিবীর-ভবিষ্যতের-জ্বালা/